শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গ্রীষ্মকাল শুরু হয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। এমন গরমে রোজা রেখে সুস্থ থাকাটা রীতিমত একটি চ্যালেঞ্জ। তাই প্রয়োজন বিশেষ শতর্কতার। এমন অবস্থায় শুধুমাত্র খাদ্য অভ্যাসের কিছু পরিবর্তন আর কিছু নিয়ম ই এনে দিতে পারে স্বস্তি।

১) গরমকালে সবচাইতে সমস্যা হয়ে যায় পানির অভাবে

প্রচণ্ড রোদ এবং গরমে দেহ পানিশূন্য হয়ে যায়, তাই সেহরিতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে নিন। প্রায় আধা লিটারের মতো পানি পান করবেন। প্রয়োজনে আরও বেশি পান করুন, কিন্তু এর চাইতে কম করবেন না।

২) সাহরি ও ইফতারে নিয়মিত সবুজ, হলুদ মৌসুমী ফল ও শাক সবজি খেতে হবে

টক ফলের মধ্যে ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি ঠান্ডা লাগা, হাঁচি, কাশি, নাকি দিয়ে পানি পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। ইফতারে প্রতিদিন কয়েক রকম ফল রাখুন। ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণের জন্য লেবুর শরবত খেতে পারেন।

৩) চা-কফি পানের অভ্যাস ত্যাগ

অনেকেরই সকালে চা-কফি পানের অভ্যাস রয়েছে, তারা রোজা রাখার কারণে সকালে চা-কফি পানের অভ্যাসটি সেহরিতেই নিয়ে আসেন। কিন্তু এই কাজটি করতে যাবেন না। চা-কফির ক্যাফেইন দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে, তাই সেহরিতে চা-কফি পান করা থেকে বিরত থাকুন।

৪) গলা ব্যাথায় হালকা গরম পানিতে গড়গড়া

যেহেতু গরমের সময় তাই ঘাম জমে অনেকের ঠান্ডা লাগতে পারে। গলা ব্যথা থাকলে বা টনসিলের জায়গা ফুলে গেছে মনে হলে, হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে গড়গড়া করবেন। এটি আপনি ইফতারের পর করতে পারেন। এতে অনেকটাই আরামবোধ করবেন।

৫) ভারী খাবার এবং অতিরিক্ত তেল চর্বি ধরণের খাবার পরিহার

সেহরিতে ভারী এবং অতিরিক্ত তেল চর্বি ধরণের খাবার বিশেষ করে খিচুড়ি, পোলাও বা বিরিয়ানি ধরণের খাবার তো একেবারেই নয়। কারণ এগুলো পুরো দিনই আপনার পেটের সমস্যা ও অস্বস্তির জন্য দায়ী থাকবে।

৬) বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

শরীরে ফ্যাট সেলের পরিমাণ বেড়ে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তখন খুব দ্রুত বিভিন্ন ধরণের রোগ জীবাণু আক্রমণ করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ইফতারে ভাজা-পোড়া ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন। সেহরিতেও খান ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার।

৭) শুকনো খাবার পরিহার

নেকেই পাউরুটি বা শুকনো খাবার খেয়ে রোজা রাখেন যা গরমের এই রোজার সময়ে একেবারেই করবেন না। বিশেষ করে প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট খাবার, এটি স্বাভাবিকভাবে আপনার দেহে শক্তি সরবরাহ করবে কিন্তু খুব অল্প সময়ের জন্য। তারপর আপনার দেহকে পানিশূন্য করে একেবারেই এনার্জিবিহীন করে তুলবে। সুতরাং শুকনো ও প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট থেকে দূরে থাকুন।

৮) কালো জিরা, মেথি, তিতা জাতীয় খাবার খেলে রক্তের জীবাণুগুলো ধ্বংস হবে

ইফতার ও সেহরিতে তিতা জাতীয় খাবার খান। ৬ মাস পর পর বাসার সবাইকে একসাথে কৃমিনাশক ওষুধ খেতে হবে। তবে যারা গর্ভবতী, কিডনি বা লিভার এর জটিলতায় ভুগছেন তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কৃমিনাশক ওষুধ খাবেন না।

৯) খেজুর দেহের এনার্জি ধরে রাখার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার

খেজুর যে শুধুমাত্র ইফতারেই খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। সেহরির সময়েও দুটো খেজুর খেয়ে নিতে পারেন। এতে করে পুরো দিন দেহে এনার্জি পাবেন

১০) ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

রক্তে চিনির মাত্রা বেড়ে গেলে, যেকোনো ইনফেকশন বেশি হয়ে যায়। যারা এ ধরনের সমস্যায় ভুগছেন তারা চিকৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে খাবারের তালিকা ঠিক করবেন।

অনলাইনে ডক্টর ও টেলিমেডিসিন সেবা এখন খুব সহজ

ক্লিনিকাল নিউট্রিশনিস্ট সহ যেকোন ডাক্তারের অ্যাপয়েন্ট পেতে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন 

স্বাস্থ্য বিডি মোবাইল অ্যাপ  অথবা ভিজিট করুন  স্বাস্থ্য বিডি ওয়েবসাইট এবং বিস্তারিত জানতে কল করুন +8801400-040404 নম্বরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *