শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশ্ব জোড়া কোভিড-১৯ প্যান্ডেমিকে কার্যত ঘরবন্দি মানুষজন। বিগত একব বছর ধরে নেই জিম অথবা ওয়ার্ক-আউট। ডকে উঠেছে হাঁটাহাঁটির চিন্তাও। জিম বা প্রয়োজনী ফিটনেস সেন্টারগুলি খোলার পুর্নসম্ভাবনা দেখা দিলেও, তাতে বাধ সেধেছে কোভিড ভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গ। এদিকে শরীরে থাবা বসাচ্ছে অতিরিক্ত ওজন। গৃহবন্দী দশায় একতরফা কাজ কার্যত বাড়িয়ে তুলেছে মেদবৃদ্ধির আশঙ্কা। সে সব থেকে বাঁচতেই প্রয়োজনীয় কিছু উপায় বাতলালেন ডাক্তারেরা।

ক্যালোরির দিকে নজর রাখুন

মারণ কোভিড ভাইরাস যেহেতু এক রকমভাবে গৃহবন্দী করে ফেলেছে আমাদের, সেই হেতু ক্যালোরির দিকে নজর রাখা জরুরি। বাইরে যাওয়া আপাতভাবে অনিশ্চিত হওয়ায়, নজর দিতে হবে খাদ্য তালিকায়। চকোলেট, আইসক্রিম ও চিপস থেকে দূরে থাকাই ভালো, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বদলে ডায়েটে থাকুক ফল, সবজি ও ভুট্টার তৈরি নানান সামগ্রী।

শরীরে চাই প্রোটিন

প্রোটিন শরীর তৈরি করতে সমর্থ। শরীরে আকৃতি বজায় থাকতে তাই পাতে অবশ্যই পড়ুক প্রোটিন-জাতীয় খাবার। হাই-প্রোটিন জাতীয় ডায়েট অতিরিক্ত খাদ্যাভ্যাস প্রতিহত করে৷ একই সঙ্গে শরীরকে চাঙ্গা ও শক্তিশালী রাখতে সমর্থ প্রোটিন।

ভুঁড়ি কমাতে চাই ফাইবার

শরীরের আকৃতির সঙ্গে কার্যত ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্ক ভুঁড়ির৷ ভুঁড়ি কমলে শরীর থাকে ফিট, সচল ও চনমনে। কোভিড প্যান্ডেমিকের অভিঘাতে ঘরবন্দী মানুষজনের ক্ষেত্রে শরীরে অতিরিক্ত মেদবৃদ্ধি অনেক সময়েই প্রবল সমস্যা তৈরি করছে। সেই মেদবৃদ্ধির নিয়ন্ত্রণে পাতে পড়ুক ফাইবার। ফল, বাদাম, গম এবং ব্রকোলি জাতীয় সবজি শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি করে ও শরীরকে অতিরিক্ত মেদের হাত থেকে রেহাই দেয়।

শাকসবজির গুরুত্ব

খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে, শাকসবজির মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস খুব কমই হয়। শাকসবজি শরীরের পুষ্টিগুণ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত উপযোগী ভূমিকা নিয়ে থাকে।

শরীরে দরকার প্রচুর পানি

স্বাস্থ্য ধরে রাখতে, শরীরে পানির ভারসাম্য রাখা অত্যন্ত জরুরি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সকালে উঠে খালি পেটে অন্তত দু’ গ্লাস পানি খাওয়া জরুরি বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ওজনহ্রাসের সময়ে শরীরে সক্ষমতা বজায় রাখতে জলের প্রয়োজন একান্তই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পানির ভারসাম্য রাখতে দিনে প্রচুর পানি খাওয়া দরকার বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শুধুমাত্র ডায়েট চার্ট নয়, একই সঙ্গে দরকার সময় অনুযায়ী খাওয়াদাওয়াও। ওজন ঝড়িয়ে ফেলার ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম শরীরে গভীর সমস্যা তৈরি করতে পারে। সেক্ষেত্রে সময় অনুযায়ী প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ ও রাত্রের খাদ্যগ্রহণ দরকারি। প্রতি দিন একইসময়ে খাওয়া, শরীরকে একটি রুটিন মাফিক জীবনযাপন করতে সাহায্য করে। অতএব সেই নিয়মানুবর্তিতা প্রতি দিন মেনে চলা দরকার। তাতে শারীরিক ও মানসিক দুই দিকই চনমনে থাকে।

অনলাইনে ডক্টর ও টেলিমেডিসিন সেবা এখন খুব সহজ

ক্লিনিকাল নিউট্রিশনিস্ট সহ যেকোন ডাক্তারের অ্যাপয়েন্ট পেতে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন 

স্বাস্থ্য বিডি মোবাইল অ্যাপ  অথবা ভিজিট করুন  স্বাস্থ্য বিডি ওয়েবসাইট এবং বিস্তারিত জানতে কল করুন +8801400-040404 নম্বরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *